(2)
ইসলামী রাষ্ট্র
ব্যবস্থা বা খিলাফতী রাষ্ট
ব্যবস্থা বলতে Exactly কি বুঝায়??
মূলত ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার
মূলভিত্তি হলতিনটি-
১.তাওহীদ ২.রিসালাহ
৩.খিলাফাহ
এই তিনটি পরিভাষাই অত্যন্ত
ব্যাপক ও
বহুমাত্রিক। তবে আমাদের
আলোচনা যেহেতু
ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা
নিয়ে তাই আমরা শুধু এর
সাথে প্রত্যক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট
অংশটুকুই
আলোচনা করবোঃ
১.তাওহীদঃ সার্বভৌমত্ব
অর্থাৎ চরম
চূড়ান্ত ক্ষমতা / কর্তৃত্ব শুধু মাত্র
আল্লাহর।
হুকুম আহকাম আইন শরীআত শুধুমাত্র
আল্লাহই জারি করতে পারেন।
কোন
রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ইসলামিক
বলে দাবী করতে হলে প্রথমেই
রাষ্ট্রীয়
ব্যবস্থার
সর্বোচ্চ
স্বীকৃতিতে (বর্তমানে এরূপ
ব্যবস্থাকে সংবিধান বলা হয়)
আল্লাহর
সার্বভৌমত্বের
ঘোষণা দিতে হবে।
প্রচলিত ব্যবস্থায় সংখ্যাগরিষ্ঠ
জনগণ
কিংবা তাদের
ভোটে নির্বাচিত
সদস্যদেরকে এই সার্বভৌমত্ব
প্রদান
করা হয়। কাজেই এটা হল কুরআনের
পরিভাষায় 'আরবাবাম মিন
দুনিল্লাহ'
বা তাদেরকে আল্লাহর
পরিবর্তে রব
বানিয়ে নেওয়া যা সুস্পষ্টভাবে শিরক
এবং কুফরি। অনেকে জনগণের
সার্বভৌমত্ব
কথাটাকে হালকাভাবে দেখতে চান,
আমিও একসময় চাইতাম। আমার ভুল
ভাঙে যখন কথিত এই জনগণের
সার্বভৌমত্বকে আল্লাহর
সার্বভৌমত্বের
উপর প্রাধান্য দেওয়া হল এবং এ
অজুহাত
দিয়েই 'আল্লাহর সার্বভৌমত্ব'
বিশিষ্ট
একটা দলের নিবন্ধনকে বাতিল
করা হল।
২.রিসালাহঃ আল্লাহর
রাসূলের
সঃ মাধ্যমে আমরা দুটো জিনিস
পেয়েছি তথা কুরআন ও সুন্নাহ।
রাষ্ট্রের
যাবতীয় আইন কানুন,
কার্যপ্রণালী কুরআন
সুন্নাহ অনুযায়ী হবে এটাই
রিসালাহর
দাবী। কাজেই
ইসলামী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ
মূলনীতিতে এটা অবশ্যই
থাকতে হবে যে,
"কুরআন সুন্নাহ সর্বোচ্চ আইন।
এবং এর
বিপরীত সমস্ত নিয়ম বাতিল
বলে গণ্য হবে।"
৩. খিলাফাহঃ খলীফা অর্থ
প্রতিনিধি বা স্থলাভিষিক্ত।
এটা এমন
একটা ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রপ্রধান
আল্লাহর
তাওহীদকে স্বীকৃতি দিবেন,
এবং তাঁর খলীফা হয়ে তাঁর
প্রদত্ত
রিসালাহর অনুসরন করবেন। অর্থাৎ
কুফরি ব্যবস্থার মত
নিজেরা নিজেরাই
বিধান প্রবর্তন করবেন না,
সার্বভৌমত্ব
দাবীও করবেন না বরং আল্লাহর
সার্বভৌমত্ব মেনে, আল্লাহ
যে বিধান
জারী করেছেন
এবং যেগুলো রিসালাহর
মাধ্যমে পাওয়া গেছে তিনি আল্লাহর
প্রতিনিধি হিসেবে শুধু
সেগুলো বাস্তবায়ন
করবেন। আল্লাহর বিধান দুই
ধরনের-
১) আল্লাহই বিধান জারী করেন
এবং তিনিই সেগুলো বাস্তবায়ন
করেন
যেমন চন্দ্র, সূর্যের উদয়, অস্ত
এবং আবর্তন।
২) আল্লাহ বিধান জারী করেন
কিন্তু
তিনি বাস্তবায়ন করেন না।
যেমন
মদ্যপানের শাস্তি, ব্যভিচারের
শাস্তি।
কেউ মদপান করলে আল্লাহ
যমীনে এসে বেত্রাঘাত করবেন
না, কেউ
ব্যভিচার করলেও আল্লাহ
নিজে এসে রজম
করবেন না। এগুলো বাস্তবায়নের
দায়িত্ব
মানুষের। এ জাতীয় বিধানের
নাম
শরীআত। আল্লাহর
দেওয়া শরীআত
বাস্তবায়নের এই পদ্ধতিই
খিলাফাহ।
কাজেই ইসলামী রাষ্ট্রকে অবশ্যই
এই
শরীআত (কিসাস, হুদুদ, তাযীর)
বাস্তবায়িত
করতে হবে।
ইসলামী রাষ্ট্রের কিছু অবশ্যকীয়
কাজ-
১. রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ
তত্ত্ববধানে নামায
কায়েম
করা এবং বেনামাযীদের
শাস্তি দেওয়া।
২. রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় যাকাত
আদায় ও বন্টন
করা।
৩. সৎকাজের আদেশ প্রদান
এবং অসৎকাজ
(যেমন অশ্লীলতা, ঘুষ, দুর্নীতি,
অনাচার,
অবিচার প্রভৃতি) প্রতিহত করা।
৪. ইসলাম প্রচার প্রসারের সবরকম
ব্যবস্থা করা।
৫. যমীনে শির্ক, বিদআত ও
ফিৎনা-ফাসাদ
বন্ধের ব্যবস্থা করা।
৬. সুদভিত্তিক অর্থনৈতিক
ব্যবস্থা বন্ধ
করা।
৭. কুফফারদেরকে বন্ধু
এবং অভিভাবক
হিসেবে গ্রহণ না করা। এ
ব্যাপারে অসংখ্য আয়াত আছে।
অথচ
আপনি অবশ্যই এরকম রাষ্ট্র
দেখে থাকবেন,
যারা হাদ্দ কায়েম
রেখেছে কিন্তু
কুফফারদের দ্বারা যখন মুসলিম
ভূমি দখল
হয়েছে কিংবা মুসলিমরা নির্যাতিত
হয়েছে তখনও
তারা নির্লজ্জভাবে কুফফারদের
পক্ষ
নিয়েছে।
৮.
দ্বীনকে চূড়ান্তভাবে বিজয়ী করার
জন্য
কুফফারদের সাথে জিহাদ করা।
তাদের
তিনটি পথের যেকোন
একটি বাতলে দেওয়া-
হয় ইসলাম নয় জিযিয়া নতুবা যুদ্ধ।
এগুলো যদিও শরীআতের ভিতরেই
পড়ে।
তারপরেও অনেকে ভুলে যায়
বলে আলাদাভাবে উল্লেখ
করা হল। বিশেষ
করে যে রাষ্ট্র নামায কায়েম
করে না এবং বেনামাযীদের
শাস্তি দেয়
না, সেটাকে আমরা কিছুতেই
ইসলামী রাষ্ট্র বলবো না। কারন-
ক) আল্লাহ সূরা হাজ্জের ৪১
নং আয়াতে আল্লাহ, নামায
কায়েমকে কর্তৃত্ব পাওয়ার
খলীফার ১ম
দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ
করেছেন।
খ) বুখারী মুসলিমসহ অসংখ্য সহীহ
গ্রন্থে এ
মর্মে হাদীস রয়েছে যে, যতক্ষণ
পর্যন্ত
শাসক নামায কায়েম
রাখবে ততক্ষণ পর্যন্ত
তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ
কিংবা বিদ্রোহ
করা যাবে না।খিলাফাত, দাওয়াহ, ন্ত্র, নুসরাহ, জিহাদ- কিভাবে??
(১) দ্বীন
কিভাবে বিজয়ী হবে ?
দ্বীন কিভাবে বিজয়ী হবে এ
আলোচনার
পূর্বে চলুন জেনে নেওয়া যাক
তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তরঃ
1. দ্বীন ইসলাম কি বিজয়ী হবে??
2. আচ্ছা বিজয়ী হলে কতটুকু
বিজয়ী হবে??
3. ঈসা (আঃ) আসার পূর্বেই
কি পুনরায়
খিলাফাত প্রতিষ্ঠিত হবে??
আমার মনে যে ইসলাম
যে বিজয়ী হবে তা নিয়ে কারোরই
সন্দেহ
নেই, এমনকি যে ছেলেটা পশ্চিম
দিকে আছারও খায় না, তারও
নেই।
এবং এটা হচ্ছে আল্লাহর কৃত
ওয়াদা যে-
"ওয়া আ'দাল্লাহুল্লায
ীনা আমানু মিনকুম
ওয়া আমিলুছ
ছলিহাতি লাইয়াছতাখলিফান্
নাহুম ফিল
আরদ্ব" অর্থাৎ আল্লাহ ঈমানদার
সৎকর্মশীলদের
সাথে ওয়াদা করেছেন
যে তিনি তাদেরকে পৃথিবীর
কর্তৃত্ব দান
করবেন"। (সূরা নূর : ৫৫)। কাজেই
যে মনে করে যে পৃথিবীতে ইসলামের
কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে না,
সে মূলত মুমিনই
নয়।
কিন্তু ২য় প্রশ্নটার ব্যাপারে খুব
কম লোকই
এ সম্পর্কে পরিষ্কার
আইডিয়া রাখে। কেউ
মনে করে তাদের দল থেকে দুই
একজন
মন্ত্রী হলে কিংবা তাদের দল
ক্ষমতায়
গেলেই বুঝি দ্বীন
পূর্ণরূপে বিজয়ী। কিন্তু
এর সঠিক উত্তরটি জানা খুবই
গুরুত্বপূর্ণ।
কেননা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তরই
বলে দিবে কোন
পথে আমরা অগ্রসর হবো?
কোন পথে আছে বিজয়?
শুরুতেই জেনে নেওয়া যাক,
আল্লাহর রাসূল
(সঃ)
কিংবা খুলাফায়ে রাশেদীন
কি দ্বীনকে পূর্নাঙ্গরূপে বিজয়ী করতে
পেরেছিলেন?? উত্তর হচ্ছে না,
তারা ঐ
ওয়াদার মাত্র কিয়দংশ
বাস্তবায়িত
করেছিলেন।
[আলবানী, সিলসিলাতুল
আহাদীছ আছ-
ছহীহা]
[১]
আয়েশা (রাঃ) বলেন,
আমি রাসূল (সঃ)
কে বলতে শুনেছি লাত,
উযযা মূর্তিদ্বয়ের
পূজা করা বন্ধ
না হওয়া পর্যন্ত দিন ও রাত শেষ
হবে না।
আয়েশা (রাঃ) বলেন তখন
আমি বললাম,
হে আল্লাহর রাসূল (সঃ), আমার
ধারণা ছিলো যখন
আল্লাহ-"তিনিই তাঁর
রাসূলকে প্রেরণ করেছেন
হেদায়াত
ও সত্য দ্বীনসহ সকল দ্বীনের উপর
বিজয়ী করার জন্য যদিও
মুশরিকরা তা অপছন্দ করে"
আয়াতটি অবতীর্ণ করেন, তখন
মূর্তিপূজার
দিন শেষ হয়ে গেছে (অর্থাৎ
ইসলাম
পূর্ণভাবে বিজয়ী হয়ে গেছে)।
উত্তরে রাসূল (সঃ) বলেলেন,
ভবিষ্যতে এটা বাস্তবায়িত
হবে যতটুকু
আল্লাহ ইচ্ছা করেন।
[সহীহ মুসলিম]
[মিশকাত শরীফ]
[২]
রাসূল (সঃ) আরো বলেন, "আল্লাহ
তাআলা ভূপৃষ্ঠকে আমার জন্য
সংকুচিত
করলেন। অদূর
ভবিষ্যতে আমার উম্মতের রাজত্ব
সেই
পর্যন্ত পৌঁছে যাবে, যে পর্যন্ত
যমীন
আমার জন্য সংকুচিত হয়েছিল।"
[সহীহ মুসলিম]
[মিশকাত শরীফ]
[৩]
মিকদাদ বিন আসওয়াদ (রাঃ)
বলেন,
তিনি রাসূল (সঃ)
কে বলতে শুনেছেন যে,
ভূপৃষ্ঠে এমন কোন মাটির ঘর
বা তাবু
থাকবে না যেখানে আল্লাহ
ইসলাম
পৌছে দিবেন না- সম্মানীর
ঘরে সম্মানীর
সাথে এবং অসম্মানীর
ঘরে অসম্মানের সাথে। অতঃপর
আল্লাহ
যাদেরকে সম্মানিত করবেন,
তাদেরকে স্বেচ্ছায় ইসলাম
গ্রহণের যোগ্য
করে দিবেন। আর
যাদেরকে তিনি অসম্মানিত
করবেন
তারা জিযিয়া দিয়ে এ
দ্বীনের
বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য হবে।
আমি বললাম,
তাহলে তো দ্বীন
পূর্ণভাবে আল্লাহর জন্য
হয়ে যাবে।
[মুসনাদ ইবনে আহমাদ]
[মিশকাত শরীফ]
তাহলে চিন্তা করে দেখুন
ইসলাম
কতটা বিস্তৃত হবে যে এর প্রভাব
বড় বড়
অট্টালিকা থেকে শুরু
করে প্রতিটি মাটির
ঘর বা তাবুতেও বিস্তৃত হবে।
অর্থাৎ বড় বড়
নগরী থেকে রিমোট
এরিয়াতে ইসলামের
প্রভাব বিস্তৃত হবে।
এবং এটা এতটা প্রভাবশালী হবে যে প্রত্যেক
তাবুর মালিককেও ইসলাম গ্রহণ
বা জিযিয়া দিয়ে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য
করা হবে। কাজেই
যারা মনে করে কতিপয়
মুসলিম অধ্যুষিত দেশে শরীআত
কায়েম
হলেই ইসলাম
পূর্ণতা পাবে তাদের
ধারণা নিঃসন্দেহে ভুল।
আরো একটি সুপরিচিত হাদীস
হলঃ
[৪]
"তোমাদের দ্বীনের শুরু নবুওয়াত
ও রহমত এর
মাধ্যমে এবং তা ততদিন
থাকবে যতদিন
আল্লাহ চাইবেন। তারপর আল্লাহ
তা উঠিয়ে নিবেন। এরপর
আসবে নবুওয়াতের
আদলে খেলাফত। তাও ততদিন
থাকবে যতদিন আল্লাহ চাইবেন।
তারপর
মহান আল্লাহ
তা উঠিয়ে নিবেন। এরপর
আসবে দুষ্ট রাজতন্ত্রের যমানা।
আল্লাহ
যতদিন ইচ্ছা তা রাখবেন, তারপর
আল্লাহ
তাও উঠিয়ে নিবেন। এরপর
আসবে স্বৈরতন্ত্রের
যমানা এবং তা ততদিন
থাকবে যতদিন
আল্লাহ চাইবেন। তারপর আল্লাহ
তাও
উঠিয়ে নিবেন। এরপর আবার
আসবে নবুওয়াতের
আদলে খিলাফত।
[মুসনাদে আহমাদ]
[সিলসিলা ছহীহা]
এ হাদীস
থেকে সামগ্রিকভাবে ৫টি পর্যায়ের
কথা বলা হয়েছে-
১. নবুওয়াত ২. খিলাফাত ৩. দুষ্ট
রাজতন্ত্র ৪.
যুলুমতন্ত্র বা স্বৈরতন্ত্র ৫. পুনরায়
খিলাফাত।
এটা সুস্পষ্ট যে বর্তমানে ৪
নং পর্যায়
অর্থাৎ যুলুমতন্ত্র চলছে। আর এর
পরেই আবার
আসছে খিলাফাত!!
এখন প্রশ্ন হল পুনরায় কখন
খিলাফাত
প্রতিষ্ঠিত হবে এবং ইসলাম
রিমোট কর্ণার
পর্যন্ত তার প্রভাব বিস্তার
করবে??
সেটা কি ইমাম মাহদী ও
ঈসা (আঃ)
আগমনের পরে নাকি আগেই??
প্রশ্নটার উত্তর
দেওয়া একটি কষ্টকর। তাও
চেষ্টা করা যাক-
[৫]
"....... ঈসা (আঃ) পুনরাগমনের পর
ক্রুশ
ভেঙে ফেলবেন, শূকর নিধন
করবেন,
জিযিয়া কর রহিত করবেন...."
[আবূ দাউদ, ইবনু হিব্বান, আহমাদ]
তারমানে ঈসা (আঃ) আগমনের
পর আর
জিযিয়া ব্যবস্থা থাকবে না।
তিনি লোকদেরকে মাত্র
দুটি পথ
বাতলে দিবেন হয় যুদ্ধ নয় ইসলাম।
সঙ্গত
কারনেই প্রশ্ন জাগে [৩]
নং হাদীসের
ব্যাপক বিস্তৃত প্রভাব
কিভাবে প্রতিষ্ঠিত
হবে এবং কে এই জিযিয়া আদায়
করবে??
এখন [৩], [৪] এবং [৫] নং হাদীসের
সমন্বয়
করে IN MY OPINION (I COULD BE
WRONG!)
ইমাম মাহদী এবং ঈসা (আঃ)
আগমনের
পূর্বেই একটা খিলাফত
ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত
হবে।
প্রশ্ন জাগতে পারে ভিন্ন
মুসলিম
দেশে ভিন্ন ভিন্ন খিলাফাত
প্রতিষ্ঠিত
হতে পারে কি??
এর উত্তর হচ্ছে না। রাসূল (সঃ)
বলেছেন-
"যদি দুইজন খলীফার বাইয়্যাত
নেওয়া হয়,
তাহলে পরে যার বাইয়্যাত
নেওয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ
করো/
তাকে হত্যা করো।"
[মুসলিম]
যাইহোক একসময় (হোক
আগে কিংবা পরে)
খিলাফাত প্রতিষ্ঠিত
হবে তাতে কোন
সন্দেহ নেই। আর এটা শুধু মুসলিম
সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে নয়,
বরং সমগ্র
পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে তার
কর্তৃত্ব
প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে। কিন্তু
প্রশ্ন
হচ্ছে কিভাবে?? দাওয়াহ,
গণতন্ত্র, নুসরাহ,
জিহাদ- কিভাবে?? আর এই
প্রশ্নের উত্তর
জানার জন্যেই আপনাকে আমার
সাথে আরো কিছুটা পথ
পাড়ি দিতে হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন