যখন সৌদির বাদশাহ তাদের
দোস্ত বারাক ওবামা আর তার
বউ মিশেল ওবামাকে লাখ
লাখ ডলার গিফট দেয়,সৌদি
প্রিন্স লাখ ডলার খরচ করে কিম
কার্দাশিয়ানকে
রাত্রিযাপনের অফার দেয় বা
সৌদি বাধশাহ-প্রিন্সর
া বিলাশবহুল জীবন যাপন করে
ঠিক তখন ফিলিস্তিনের
শিশুরা রক্তের বন্যায় গোছল
করে,সিরিয়ান শিশুরা
শীতের কষ্টে,খুধার কষ্টে মৃত্যুর
দিকে ধাবিত হয় আর তাদের
দোস্তরা ইরাক,আফগানিস্তা
ন,পাকিস্তানে ড্রোন হামলা
চালিয়ে মুসলিম মারার
উৎসবে মাতে!!
এরপরেও নাকি সৌদি
বাদশাহ আমাদের অভিভাবক!!
আমাদের ঐক্যের প্রতীক!!
আমাদের নতুন অভিভাবক(!)
সালমান বিন আজিজ ক্ষমতায়
গিয়েই সিরিয়ায় তার দোস্ত
আসাদ কর্তৃক অনাথ/এতিম হওয়া
শিশুদেরকে সৌদি পরিবার
দত্তক নিতে পারবে না মর্মে
নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে!!
কিছু বলতেও লজ্জা লাগে.…
সৌদি আরব যতটুকু মুসলিমদের
দান খয়রাত করে, তারচেয়ে
বেশি দান খয়রাত করে কুফ্ফার
দেশগুলোতে কারণ: কথিত
সন্ত্রাসী ঠেকাতে এবং
ক্ষমতা পাকাপুক্ত রাখতে
তারা এই কাজটিই বেশি করে
থাকে! উদাহরণ স্বরূপ:
ইংলেন্ডের, আমেরিকার
ওয়ালস্ট্রীটে বিজিনেসে
যেমন: সিটি গ্রুপ, মরগ্যান
স্টানলি, জেপি মরগ্যান বেঙ্ক
গুলোতে সৌদির ৭ ট্রিলিয়ন
ডলার ইনভেস্টমেন্ট! আর ঐসব
সৌদি এবং গলফ বাদশাদের
দ্বারাই এইসব সুদী মার্কিন
বেঙ্ক গুলো প্রতিষ্টিত!! আর
যখনই ঐসব সুদী বেঙ্ক গুলো
দেউলিয়া হয়, তখন মুক্ত হস্তে
ঐসব আরব বাদশাহরা ওই সুদী
কোম্পানি গুলোকে সাহায্য
করে থাকে!! এবং যখনই
আমেরিকা, ফ্রান্স,
ইংল্যেন্দে অর্থনৈতিক মন্দা
অবস্থা দেখা দেয় তখন সৌদি
সহ গলফ স্টেট থেকে ট্রিলিয়ন
ডলার, পাউন্ড দিয়ে ওদেরকে
সাহায্য করা হয়! আর সৌদি
প্রিন্স তালাতের এইসব সুদী
বেঙ্ক /সিটি বেঙ্ক, মরগ্যান
স্টেনলি সহ সবটিতে তার ৩০
পার্সেন্ট শেয়ার আছে!!
ঘুরে ফিরে সেই ৯০ থেকে
আরেক ৮৫ বছরের কথিত মুসলিম
উম্মাহর অভিভাবক!! এইসব
কিডনি, ডায়াবেডিস,
শ্বাসকষ্ট রোগীদেরতো
হাসপাতালে অবসর নেওয়া
দরকার!! ওরা কি পারবে
মুসলিমদের দুঃখ দূর করতে,
পারবে কি ইহুদিদের দখল
থেকে মাসজিদুল আল আকসা
দখল করতে, পারবে কি বার্মা,
ফিলিস্তিন, কাশ্মির, ইরাক,
সিরিয়া সহ দুর্গত মুসলিমদের
পাশে দাড়াতে?? ইখতিয়ার
উদ্দিন বিন খলজী,
সালাউদ্দিন আইয়ুবীর মত ১৬/
১৭ বছরের যুবক যখন ওই আসনে
বসবে, তখনই মুসলিম উম্মার গর্ব
করার দিন আসবে!! এই সব অথর্ব
৮৫/৯০ বছরের ডায়াবেডিস
রোগী দিয়ে বরং তামাশাই
দেখা যাবে!!n
হিজরী ৬৫৬ সন (খ্রীষ্টাব্দ ১২৫৮ সন), মুসলিম বিশ্বের
দৃশ্য। খ্রীষ্টানদের পঙ্গপাল, হিজরী ৬৪৮
সনে (খ্রীষ্টাব্দ ১২৫০ সন) মুসলিমদের এক আকস্মিক
আক্রমণ দ্বারা পরাজিত হয়, যখন উত্তর আফ্রিকায় একজন
মুসলিম রসায়নবিদ/উদ্ভাবক সর্বপ্রথম আগ্নেয়াস্ত্র
উদ্ভাবন করেন।(দেখুন ১৯৮৭, গিনীজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড
রেকর্ডস)। রাইফেল-এর ন্যায় দেখতে এই ‘সিংগেল সট্
উইপন’ মুসলিমদেরকে রক্ত পিপাসু খ্রীষ্টানদের বছরের
পর বছর মুসলিমদেরকে সম্পূর্ন ধ্বংস করার
চেষ্টা থেকে উদ্ধার করে। সেই সময় থেকে উন্নতি/
সমৃদ্ধি শুরু হয়। মুসলিম মহানগরীসমূহ হাসপাতাল ও
ল্যাবরেটরী দ্বারা প্রজ্জ্বলিত হয়ে উঠেছিল। ২৩৫
হিজরী (খ্রীষ্টাব্দ ৮৫৯ সন)।
আসলো এবং পেড়িয়ে গেল, এবং শ্রদ্ধেয় ‘আলিম
আবূল হাসান ﺭﺣﻤﻪ ﺍﻟﻠﻪ টেলিস্কোপ আবিষ্কার করলেন,
গ্যালিলিও-এর জন্মের আরোও বহু বছর পূর্বে।
(এ্যাপেন্ডিক্স-এ দেখুন, রফিক্ব যাকারিয়্যাহ রচিত
“দী স্ট্রাগল উইদইন ইসলাম”) পবিত্র এক
ইলাহে বিশ্বাসীরা ইতিমধ্যেই পশ্চিম
আফ্রিকা থেকে যাত্রারম্ভ
করেছে এবং কালো মহাউদ্যান (আটলান্টিক
মহাসাগর) পাড়ি দিয়েছে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ-এ
ইসলামের বার্তা নিয়ে আগমন করেছে।(এ্যাপেন্
ডিক্স-এ দেখুন, Zvi Dor রচিত
“ডিসকভারিং আমেরিকা”)।
আমরা পূর্বাংশে ছড়িয়েছি, এবং এই
সময়ে কোরিয়ায় বড় মুসলিম জনসংখ্যা ছিল, এবং সেই
সাথে ছিল দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার তিব্বতে ও চীনে।
(এ্যাপেন্ডিক্স-এ দেখুন, Philip AlKhouri Hitti রচিত
“হিস্টোরী অফ দী এ্যারাব্স”,আর সেই সাথে দেখুন
ইব্ন বতুতা রচিত “আর-রিহলিা”)।
বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা ছিল
দৈনন্দিন কার্যব্যবস্থা। বিশেষ করে বাগদাদ
ইসলামের ’আলিমগণ দ্বারা এবং অন্যান্যদের
দ্বারা উপচে পড়ছিল, যারা ইউরোপের ক্ষুধার্ত
পাহাড়সমূহ থেকে এসেছিল,
যারা শিখতে এসেছিল যে, গোসল
কিভাবে করতে হয়, কিভাবে পড়তে হয়,
এবং গণিতে কিভাবে শূণ্য ব্যবহার করতে হয়।
বায়োলজি ছিল একটি প্রশংসিত বিষয়, এবং সেই
সাথে উদ্ভিদবিজ্ঞানও। ইসলামের ’আলিমগণ, আল-
হাফিয ইবন কাসীর, শাইখ উল-ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ,
শাইখ উল-ইসলাম ইবন রজাব আল-হান্বালী, শাইখ উল-
ইসলাম ইবন হাজার আল-আসক্বলানী, আল ‘আল্লামাহ্
ইবন দাক্বিক্ব আল-‘ঈদ, শাইখ উল-ইসলাম ইমাম আন্-
নাওয়ায়ী, আল-‘আল্লামাহ্ ইবন ক্বয়্যিম এবং আল
‘আল্লামাহ্ মুহাম্মাদ ‘উসমান আয্-
যাহাবী (রহিমাহুমুল্লাহ), তারা সকলেই এই
সময়ে বাস করেছেন।
৩০০ বছর ধরে বাইফোকাল (দূরের ও কাছের উভয় দৃষ্টির
জন্য তৈরী লেন্স বিশেষ) বর্তমান ছিল। ইহূদীরা,
যারা বহু বছর ধরে খ্রীষ্টানদের দ্বারা ব্যাপক ধ্বংস-
যজ্ঞের শিকার হয়েছিল, তারা ‘ইরাকে বসবাস
করছিল এবং সেখানে লাভ করছিল এক অভিজ্ঞতা,
এবং স্পেইনেও, যা ইহূদী ’আলিমগণ
পরবর্তীতে বলেছিলেন, “ইহূদীধর্মের স্বর্নযুগ।” কিন্তু
হায়, এটা স্থায়ী ছিল না।
কিন্তু, সেই নিয়তি নির্দিষ্ট বছরে একটি কালো মেঘ
মধ্য এশিয়া থেকে আগমন করল। লোমশ পোশাক
পরিহিত এবং ঘোড়া ও উটের উপর আরোহিত
লোকেরা দ্রুত বেগে ধেয়ে আসলো, তাদের উদ্দেশ্য
হল লুন্ঠন ও ধ্বংস। টার্গেট নির্দিষ্ট করা হত, সম্পদ
খোঁজা হত এবং নারীদের অন্বেষণ করা হত ধর্ষন করার
উদ্দেশ্যে। বাগদাদ এই ড্রামার এক দৃশ্যে পরিণত হল।
তাতার-রা বাগদাদে অবতরণ করল এবং তাদের
সমরাভিযান শুরু করল, যা শুরু হল
কিতাবাদি পোড়ানো, ’আলিমদের গনহত্যা,
এবং সেই সাথে খলীফাহ্ মু’তাসিম এবং তার
পরিবারকে হত্যাকার্যের মাধ্যমে। শি‘আহ্ অংশ
তাদের আগমণ সম্পর্কে জানতো এবং তাদের
সাথে একটি সমঝোতা করল। যদি তাতার-রা তাদের
ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকে, তবে তারা তাদের
সাথে লুন্ঠিত মালামাল বন্টনের পর এক
চুক্তিতে আবদ্ধ হবে।
বাগদাদ মহানগরী অবিশ্বাস্য
বিভীষিকা দেখেছিল, ক্বুরআন এবং হাদীসের
কিতাবাদি পাইল-আকারে পোড়ানো হয়েছিল
এবং মানবদেহ গণকবর-আকারে পোড়ানো হয়েছিল।
ল্যাবরেটরীগুলো সময় কাটানোর আর উপযোগী রইল
না। এ সময় মানুষেরা আত্মগোপন করে চলছিল।
মসজিদগুলোও নিরাপদ রইল না, কারণ বেশীরভাগ
মসজিদগুলোই যুদ্ধের বাংকার হিসেবে ব্যবহৃত
হচ্ছিল। গেরিলা ওয়ারফেয়ার ও স্ট্রীট টেরোরিজম
সাধারণ ঘটনায় পরিণত হল।
শারী‘য়াহ তার জায়গা থেকে সরে গেল, যার কাজ
মুসলিমদের স্বার্থরক্ষা এবং পৃথিবীকে রক্ষা। মুসলিম
নারীরা শাইতন লোকদের হাতে পড়ল,
যারা তাদেরকে নিজেদের সম্পদের ন্যায়
নিয়ে যেত, এবং উপপত্নী/
রক্ষিতা হিসেবে উপভোগ করত। এরপরই
আসলো কালো অন্ধকারের ও অত্যাচারের যুগ। এই
সময়ে মুসলিমদের তাদের কার্যপরিচালনার জন্য কোন
খিলাফাহ্ ছিল না। আমরা টুকরা টুকরা হয়ে গেলাম
এবং কিছু খন্ডাংশ ও ক্ষুদ্রাংশে পরিণত হলাম। এই
ধ্বংস কারোও কারোও জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছিল,
আর তারা দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে মৃত্যুবরণ করেছিল।
একমাত্র আইনের শাসন আসলো লুন্ঠনকারী/
শিকারী গোষ্ঠীটির থেকে, যারা মধ্য
এশিয়া থেকে আসলো এবং যাদের আগে কোন
প্রকার ধর্ম/দ্বীন, ঈমান-‘আক্বীদাহ্
এবং পৃথিবীকে দেওয়ার মত কোন বার্তা/খবর-ই ছিল
না। তারা শুধুমাত্র এক জায়গা থেকে আরেক
জায়গায় উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াতো। আর
একবার তাদের সম্পদ ফুরিয়ে গেলে তারা অপর কোন
সভ্যতায় লুন্ঠন অভিযান চালাতো, তাদের প্রাকৃতিক
সম্পদ সম্পূর্নরূপে ভোগ করত, যতক্ষণ পর্যন্ত
না তা নিঃশেষ হয়ে যায়
এবং অবশেষে সেখানকার মানুষদের এক বিপর্যয়ের
মধ্যে ফেলে তারা চলে যেত। লাইব্রেরীগুলোকে
পুড়িয়ে মাটির সাথে তারা মিটিয়ে দিয়েছিল,
যেহেতু তারা পড়াশুনা ও শিক্ষায় আগ্রহী ছিল না,
’আলিমদের হত্যা করেছিল, কারণ এসব মানুষ কোন
প্রকার প্রজ্ঞার কথা শুনতে চাইত না।
তুমি জিজ্ঞেস করতে পারো যে, আমরা কেন মুসলিম
ইতিহাসের এই কুৎসিত/দুঃখজনক ট্র্যাজেডির
পুনারাবৃত্তি করছি,
যা থেকে ইরাকী সভ্যতা এখনো সম্পূর্নরূপে সামলে উঠতে পারেনি।
আমরা এই ঘটনাটি বর্ণনা করছি, কারণ এটাই
ইতিহাসের একমাত্র সময় যখন মুসলিমদের কোন
খিলাফাহ্ ছিল না, এবং শারী‘য়াহ-এর কোন প্রয়োগ
ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, আরোও একটি সময় আছে যখন এরূপ
একই প্রকার ঘটনা ঘটেছে। আর সেই সময় হল এখনকার সময়।
যেকোন সময়ে মুসলিমরা যদি আজ কোন বিষয়ের
অবস্থা নিয়ে আলোচনা করতে চায়, তবে ইতিহাসের
শুধুমাত্র যে অংশের সাথে আমরা আজকের
তুলনা করতে পারি তা হল, তাতারদের সময়কাল। কেন?
এসব লোকেরা এসেছিল, আক্রমণ করেছিল
এবং মুসলিমদের লাঞ্ছিত/অপমানিত করেছিল,
বিভিন্ন ভগ্নাংশে মুসলিম বিশ্বকে বক্রভাবে বন্টন
করেছিল, এবং এরপর মানুষদের শাসন করেছিল তাদের
প্রণীত নিজস্ব আইন-কানুন দ্বারা। এ সবকিছুর উপরে,
তারা ইসলাম থেকে কিছু ধারণা গ্রহণ করেছিল, এর
সাথে তাদের ধারণার সংমিশ্রন করেছিল,
এবং এরপর নিজেদেরকে মুসলিম বলে সম্বোধন করা শুরু
করল এবং তাদের আইন-কানুন-কে ইসলামিক বলা শুরু
করল, শারী‘য়াহ-এর বহিরাবরণের আড়ালে।
আজকের দিনকে আমরা শুধুমাত্র এর সাথেই
তুলনা করতে পারি। যাহোক, এর
মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।
তাতারদের সময়ে, কয়েক বছরের মধ্যেই শারী‘য়াহ-এর
পূণঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়। আজ প্রায় ৭৫ বছর হয়ে যাচ্ছে,
আর আমরা আমাদের উপর শাসকবিহীন
অবস্থা নিয়ে প্রায় স্বাভাবিকই হয়ে যাচ্ছি।
তাতারদের সময়ে, অনেক ’আলিমদের
হত্যা করা হয়েছিল এবং অনেকে মুখ খুলতে ভয়
করছিলেন। কিন্তু, শাইখ ইব্ন তাইমিয়্যাহ্, আর সেই
সাথে তার ছাত্রগণ ইব্ন কাসীর, মুহাম্মাদ ‘উসমান আয্-
যাহাবী, এবং ইব্ন ক্বয়্যিম (রহিমাহুমল্লাহ), সত্য
বলতে ভয় করেন নি, এমন কি তাদের জীবনকেও
ঝুঁকিপূর্ণ করেও।
তাদের সামনের পরিস্থিতি তারা গভীর মনযোগ
দিয়ে দেখেছেন এবং পর্যবেক্ষণ করেছেন। এই
অধঃপতন-এর জন্য কিরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং এর
থেকে মুক্তি পাবার উপায় কি, তা শিক্ষা দেবার
জন্য, মুসলিমদের জন্য ফাতাওয়া তৈরী করা হয়েছিল।
এসব মহান ব্যক্তিদের কিতাবাদিতে, সেই
অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে তাদের কৃত কাজের সাক্ষীস্বরূপ
ভলিউমের উপর কার্যাবলি পড়ে আছে একটি ‘কোড
বুক’-এর ন্যায়, সেইদিনের জন্য যখন এমন ঘটনাসমৃদ্ধ দিন
আবার আসে। এই ঘটনাসমূহ তাতারদের কার্যাবলির
বর্ণনা করে, যারা শারী‘য়াহ ব্যতীত অন্য আইন
দ্বারা শাসন করছিল। তাদের মধ্যে কতক সলাহ্ আদায়
করত, সিয়াম পালন করত, হাজ্জ্ব করেছিল এবং এরূপ
অনেক কিছু, কিন্তু বিচারবিধান আগের মতই
রয়ে গেল। সেই সময়কার সকল আমানতদার ’আলিমগণ,
শাসনকার্যের সাথে জড়িত তাতারদের কুফ্ফার
বলে শ্রেণীবদ্ধ করেছিলেন, ঠিক এই হাকিমিয়্যাহ্-
এর বিষয়টির কারণেই। আমরা চাইব যেন পাঠক সেই
বৈশিষ্ট্যগুলো দেখেন যেগুলো ইব্ন তাইমিয়্যাহ ﺭﺣﻤﻪ
ﺍﻟﻠﻪ এবং তার সময়কার অন্যান্য ’আলিমগণ তাতারদের
সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন, আর দেখেন যে,
সেগুলোকে আমাদের এখনকার সময়ের সাথে আর
আমাদের শাসকদের অবস্থার সাথে মিলানো যায়
কিনা। আপনি নিজেই দেখতে পারেন
এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।
’আলিমদের অবস্থানগত সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখুন
এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন যে, তাদের
কথা এবং তাদের দেওয়া দালীলের উপর
ভিত্তি করে, আমাদের কি করা উচিত। যেহেতু,
এটিই একমাত্র সময়, যার সাথে আমরা আজকের
তুলনা করতে পারি, যখন কোন শারী‘য়াহ নেই, নেই
কোন খিলাফাহ্, তাই এটা বিশ্বাস করাই যুক্তিসঙ্গত
যে, এসকল ন্যায়পরায়ণ ’আলিমগণ
যে পথনির্দেশনা প্রয়োগ করেছিলেন, তাতেই
সমাধান নিহিত।