(6)
হুদাইবিয়ার সন্ধি ও
কুফরী গণতন্ত্রকে সাময়িক
স্বীকৃতিঃ
১. প্রথম কথা হচ্ছে হুদাইবিয়ার
সন্ধিটি ছিল একটা দ্বিপাক্ষিক
চুক্তি।
অন্যদিকে বর্তমান সংসদীয়
গণতন্ত্র হল
একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠিত
ব্যবস্থা যাতে অনুপ্রবেশ
করতে হয়।
দুটি পক্ষ ছাড়া চুক্তি সম্পাদিত
হয়
না এবং এর দ্বারা উভয়পক্ষই কোন
না কোন
benefit অর্জন
করে অথবা ক্ষতি হ্রাস করে।
অন্যদিকে সংসদীয়
গণতন্ত্রে আগ্রহী গ্রুপকে কিছু
শিরকী মূলনীতিকে স্বীকৃতি দিয়ে তাতে প্রবেশ
করতে হয়। কিন্তু সংসদ
আগ্রহী গ্রুপকে আনার জন্য কোন
ছাড়
দিবে না। কোন
একটি ইসলামী দল
আসা কিংবা না আসার উপর
সংসদীয়
গণতন্ত্র Dependent নয়। কোন বিশেষ
ইসলামী দল প্রতিষ্ঠিত হবার
পূর্বেও
এটা ছিল, এবং ঐ বিশেষ
দলটি যদি ক্র্যাকডাউন করে তবুও
সংসদীয়
গণতন্ত্র বহাল তবিয়তেই থাকবে।
কিন্তু
চুক্তির বিষয়টি এমন নয়।
এছাড়া হুদাইবিয়ার সন্ধির
পূর্বে রাসূল
(সঃ) যুদ্ধের জন্য মনস্থ
হয়েছিলেন।
কাফিররাই অধিক আগ্রহ
দেখিয়েছিল।
২. হুদাইবিয়ার
সন্ধিতে তাওহীদ-কুফর এরকম
কোন ইস্যুতে কি কম্প্রোমাইজ
হয়েছিল??
¤ সন্ধির সময় চুক্তিসম্পাদনকারীর
নাম
হিসেবে আল্লাহর রাসূল
মুহাম্মাদ প্রস্তাব
করা হলে কুফফাররা বেঁকে বসে।
তারা বলে,
"যদি আমরা তোমাকে রাসূলুল্লাহ
বলে মানতাম
তাহলে তো এসবের দরকারই
ছিল না"। অবশেষে রাসূলুল্লাহ
বাদ
দিয়ে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ
লিখা হয়।¤
এটা থেকে অনেকে আদর্শের
ক্ষেত্রে আপোষ প্রমাণের
চেষ্টা করেন।
(নাউজুবিল্লাহ)
প্রথমে বুঝা দরকার
যে যদি রাসূলুল্লাহ
লিখা হত তাহলে এটুকু বলা যেত
যে আমরা আমাদের বিশ্বাস
তাদের উপর
চাপিয়ে দিতে পেরেছি।
কেননা এটা তারা বিশ্বাস
করতো না।
এবং আমরা এটাই চাই কারন
ইসলাম
হচ্ছে সত্য দ্বীন। আর
এটা করতে না পারার
অর্থ এই নয় যে আমরা তাদের
আদর্শকে সাময়িক
স্বীকৃতি দিয়েছি।
*** 'অন্যদের
আদর্শকে স্বীকৃতি দেওয়া'
এবং 'নিজেদের
আদর্শকে অন্যদের উপর
আরোপ করতে ব্যর্থ হওয়া এ দুয়ের
মধ্যে আকাশ পাতাল ব্যবধান'। ***
আরো সহজে বিষয়টা বোঝার
চেষ্টা করি-
ক) ঐ চুক্তিতে যদি কুফফারদের
কাউকে রাসূলুল্লাহ লিখা হত
তাহলে কি মুহাম্মদ (সঃ)
তাতে সাক্ষর
করতেন???
খ) উক্ত
চুক্তিতে যদি আল্লাহকে বাদ
দিয়ে বা আল্লাহর
পাশাপাশি অন্য
দেবদেবীর কর্তৃত্ব
বা সার্বভৌমত্বের
উল্লেখ
থাকতো তাহলে কি মুহাম্মাদ
(সঃ)
ঐ চুক্তিতে সাক্ষর করতেন??
৩. অনুরূপভাবে আল্লাহর রাসূল
(সঃ)
কাবা চত্বরে মূর্তি থাকা সত্ত্বেও
ছলাত
আদায় করেছেন। এটাকেও
অনেকে কুফরকে সাময়িক
স্বীকৃতিরূপে দেখতে চান।
(নাউজুবিল্লাহ)
এক্ষেত্রে করণীয় ছিল সম্ভবত
দুইটাঃ ১.
আল্লাহর ইবাদাত করা ২. ঐ সমস্ত
মিথ্যা উপাস্যদের মস্তক চূর্ণ
করে দেওয়া।
শক্তি না থাকার কারনে রাসূল
(সঃ) ২য়
টি করতে পারেন নি।
তারমানে এই নয়
যে তিনি সেগুলোকে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
এছাড়া আলী (রাঃ)
থেকে একটি হাদীসে দেখা যায়
রাসূল
সঃ মক্কী যুগেই গোপনে কাবার
মূর্তি ভেঙেছেন। অবশ্য কেউ
কেউ সনদ
নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
রাসূল (সঃ) এর দাওয়াত শুরুই
হয়েছিল
ঐসমস্ত উপাস্যদের তাকযিব
(মিথ্যা সাব্যস্ত) করার মাধ্যমে।
একপর্যায়ে কাফিররা তাকে বলেছিল
আপনি আপনার ধর্ম পালন করুন
আমরা কিছু
বলবো না এবং আপনিও আমাদের
উপাস্য
নিয়ে কিছু বলবেন না। কিন্তু
রাসূল (সঃ)
তা নাকচ করে দিয়েছেন।
সূরা কাফিরুনের
মত দ্বর্থহীন সূরাও অবতীর্ণ হয়
মক্কী যুগেই, দুর্বল অবস্থায়ই, রাষ্ট্র
ক্ষমতা প্রাপ্তির পূর্বেই।
অন্যদিকে সংসদীয় প্রক্রিয়া শুরুই
হয়
কুফরকে স্বীকৃতি দেওয়ার
মাধ্যমে।
৪. কেউ কেউ আবার তৎকালীন
আরবের কিছু
রীতিনীতি উল্লেখ করেন
যেগুলো ঐসময়ে রাসূল অনুসরণ
করতেন।
এভাবে তারা মানুষকে বিভ্রান্ত
করতে চান। অথচ ঐ
রীতিনীতিগুলো এমন নয়
যে কাউকে 'আরবাবাম মিন
দুনিল্লাহ'
অর্থাৎ আল্লাহর পরিবর্তে রব
বানিয়ে দেয়। একটা সহজ উদাহরণ
দেওয়া যাক, একটা বাস
কোম্পানী যদি নিয়ম
করে যে তাদের
বাসে এক তৃতীয়াংশ সিট
মহিলাদের জন্য
রাখা হবে। আর এই নিয়ম কেউ
ফলো করলে আরবাবাম মিন
দুনিল্লাহ
হবে না। কিন্তু কেউ
যদি জনগণের
সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়,
নিজেকে কুফরি সংবিধানের
রক্ষক
মনে করে গর্ববোধ করে দেন ইট ইজ
সিউরলী আরবাবাম মিন
দুনিল্লাহ।
দ্বিতীয়ত ঐসম দ্বীন পূর্ণাঙ্গ ছিল
না,
কেননা একটু একটু
করে অহী নাযিল হচ্ছিল।
আর বর্তমানে এই লজিক
খাটে না।
- - - - - - -
প্রেক্ষাপট বাংলাদেশঃ
সংবিধানের ৭(২) ধারাঃ
"জনগণের অভিপ্রায়ে পরম
অভিব্যক্তিকরূপে
এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের
সর্বোচ্চ আইন
এবং অন্য কোন আইন যদি এই
সংবিধানের
সহিত অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়,
তাহা হইলে ঐ
আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ
ততখানি বাতিল বলে গণ্য হবে।"
চিন্তা করতে থাকুন। এবার দেখুন
মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী ও অন্যান্যদের
শপথঃ
সংবিধানের ৩য় তফসিল ২(ক) :
"...... আমি সংবিধানের রক্ষণ,
সমর্থন ও
নিরাপত্তা বিধান করিব ......."
(নাউজুবিল্লাহ)
আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন
এবং হাক্ককে হাক্করূপে ও
বাতিলকে বাতিলরুপে বুঝার
তৌফিক দান
করুন।
(5)
'গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ইসলাম
কায়েম'
ইস্যুতে ইমাম আনোয়ার আল
আওলাকি যা বললেনঃ
গণতান্ত্রিক
নির্বাচনে অংশগ্রহণের
মাধ্যমে পরিবর্তনের
প্রবক্তারা এই
কথা বলে শুরু করেন যে, গণতন্ত্র
কুফর
এবং আমরা এতে বিশ্বাস
করি না, কিন্তু
আমরা এটিকে ক্ষমতায় যাওয়ার
মাধ্যম
হিসাবে ব্যবহার
করছি এবং আমরা ক্ষমতায়
যাওয়ার পর
ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবো। এ কথাই
আমি শুনছি ৮০’র শেষ ও ৯০’র শুরু
পর্যন্ত
ইখওয়ানের প্রত্যেক নেতৃস্থানীয়
সদস্য
থেকে। আমার পরিষ্কার
মনে আছে সেই
গণ- আলোচনার কথা যা ঘটেছিল
এই
বিষয়ের উপর, কারণ তখন
সালাফীরা এই
পয়েন্টে ইখওয়ানের ঘোর
বিরোধী ছিল।
আমার এও স্পষ্ট
মনে আছে ইখওয়ানের
কয়েকজন শাইখের সাথে আমার
সেই একান্ত
আলোচনার
কথা যেখানে তাঁরা বারংবার
বলছিলেনঃ গণতন্ত্র
অনৈসলামীক
এবং আমরা নির্বাচনে অংশ
নিচ্ছি, কিন্তু
আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এর (অর্থাৎ
গণতন্ত্রের)
মধ্যে থেকে সিস্টেমের
পরিবর্তন করা।
এই পদ্ধতির
মধ্যে তিনটি সমস্যা আছেঃ
প্রথমতঃ গণতন্ত্রকে ব্যবহার
করা এবং গণতান্ত্রিক
সিস্টেমের
অনুগামী বলে দাবী করা কিন্তু
তাতে বিশ্বাস না রাখা –
এটি একটি প্রতারণা ও
মিথ্যাচার। এখন
শত্রুর
বিরুদ্ধে প্রতারণা গ্রহণযোগ্য,
যদি মুসলমানরা তাদের
সাথে যুদ্ধে লিপ্ত
থাকে। সমস্যাটা হল, এই বিশেষ
দলগুলো যারা গণতান্ত্রিক
প্রক্রিয়ার
সাথে জড়িত; বিশ্বাস
করে না যে তারা কাফেরদের
সাথে যুদ্ধে লিপ্ত আছে,
বরং বিশ্বাস
করে যে, মুসলমান ও কাফেরদের
মাঝে চুক্তি আছে।
সুতরাং যদি আমরা কাফেরদের
সাথে চুক্তিবদ্ধ
থাকি তাহলে তাদের
(কাফেরদের)
সাথে প্রতারণা করা গ্রহণযোগ্য
নয়
এবং মিথ্যা বলাও গ্রহণযোগ্য নয়।
এটাই
হচ্ছে প্রথম সমস্যা।
পরবর্তী সমস্যা হল, আপনি যখন
একটি মিথ্যাকে যথেষ্ট পরিমাণ
দীর্ঘ সময়
ধরে পুনরাবৃত্তি করবেন তখন শেষ
পর্যন্ত
আপনি তাই বিশ্বাস করবেন।
যারা এইসব
দলগুলোকে ৮০’র দশক
থেকে দেখেছিলেন,
সময়ের সাথে এইসব দলগুলোর
যে কি পরিমাণ পরিবর্তন
ঘটেছে তা দেখে তাদের
কাছে এটা বিস্ময়কর লাগে। এখন
তারা বলছে এবং আমিও তাদের
বিশিষ্ট
সদস্যদের কাছ থেকে বহুবার
শুনেছি যে,
“এখন আমরা আসলেই গণতান্ত্রিক
সিস্টেমে বিশ্বাস করি।
আমরা বুলেট নয়
ব্যালটে বিশ্বাস করি।
এবং যদি ব্যালট
একটি ধর্মনিরপেক্ষ
অথবা কাফের
দলকে জয়ী করে তাহলে আমরা তাই
গ্রহণ
করবো!!”
মুসলমান হিসাবে আমাদের
ইসলামকে মানুষের
খামখেয়ালীর বিষয়
বানানো উচিত না যে,
যদি তারা এটি (অর্থাৎ ইসলাম /
ইসলামী শরীয়াহ) বেছে নেয়
আমরা তা বাস্তবায়ন করব, আর
যদি তা না করে তবে আমরা জনসাধারণের
পছন্দ মেনে নিব। আমাদের
অবস্থান এই যে,
আমরা পৃথিবীতে তলোয়ারের
ডগা দিয়ে আল্লাহর আইন
বাস্তবায়ন করব;
জনসাধারণ এটি পছন্দ করুক
বা না করুক।
আমরা শরীয়াহ
শাসনকে জনপ্রিয়তার
প্রতিযোগিতার বিষয়
বানাবো না।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
বলেছেন-
“আমাকে তলোয়ার সমেত
পাঠানো হয়েছে যতক্ষণ পর্যন্ত
না একমাত্র
আল্লাহ তা‘আলার
উপাসনা করা হয়।”
এই পথই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পথ,
যে পথ
আমাদের অনুসরণ করা উচিত।
চূড়ান্ত সমস্যা হল, মুসলমানদের
প্রক্রিয়া,
অনুপ্রবেশের প্রক্রিয়া নয়।
মুসলমানরা ওই
(গণতন্ত্র) সিস্টেমে অনুপ্রবেশের
চেষ্টা করে না এবং তার
মধ্যে থেকে কাজও করে না।
এটি আমাদের
পথ না। এটি ইহুদী ও
মোনাফেকদের পথ,
কিন্তু মুসলমানদের পথ না।
আমরা বন্ধু ও
শত্রুর সাথে সৎ ও অকপট(বা অক্রূর)।
আমরা আমাদের উদ্দেশ্য উন্মুক্ত
রাখি এবং আমরা প্রকাশ্যে আমাদের
দাওয়াহ ঘোষনা করি, “তোমার
জন্য
তোমার দ্বীন আর আমার জন্য
আমার
দ্বীন।” আমরা এই(গণতান্ত্রিক)
সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করতে চাই
না,হোক
তা আমেরিকায় অথবা কোন
একটি মুসলিম
দেশে। ইহুদীরাই একমাত্র সকল
সরকার
ব্যবস্থায়(যার অধীনেই
তারা ছিল)
অনুপ্রবেশ করেছে, হোক তা আল-
আন্দালুস
(ইসলামিক স্পেন) ও ওসমানীয়
খিলাফা অথবা আজকের
পশ্চিমা সরকারসমূহ। তাদের
(ইহুদীদের)
গোপন এজেন্ডা আছে, আমাদের
(মুসলমানদের) নাই।
ইহুদী ও তাদের দোসর
মোনাফিকরা রাসূলুল্লাহ
(সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর
সরকার
ব্যবস্থায় অনুপ্রবেশ করার
চেষ্টা করেছিল
এবং কুরআন দ্বারা তাদের মুখোশ
উন্মোচিত হয়েছিল-
“এবং এক দল
কিতাবধারী (একে অপরকে)
বলাবলি করছিল, মুমিনদের
প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে,
দিনের
শুরুতে তা বিশ্বাস কর আর দিনের
শেষে তা অস্বীকার
(বা পরিত্যাগ) কর,
যাতে তারা(অর্থাৎ মুমিনরা)
ফিরে যায়
(অর্থাৎ, তাদের ধর্ম পরিত্যাগ
করে)"
সুতরাং তাদের পরিকল্পনা ছিল
যে,
তারা মুমিনে পরিণত
হবে এবং মুসলিমদের
মাঝে আসবে, শুধুমাত্র দিন
শেষে তা পরিত্যাগ করার জন্য।
আল্লাহ
মোনাফেকদের বিষয়েও
বলেছেন যে,
তাদের পরিকল্পনা ছিল যে,
তারা মুমিনদের
সাথে বসবে এবং যা শুনবে তা ইহুদীদের
নিকট পৌছে দেবে। সুতরাং,
যারা বলে আমাদের এই
(গণতান্ত্রিক)
সিস্টেমের
সাথে থেকে এটিকে পরিবর্তন
করা উচিত তারা মুসলমানদের পথ
অনুসরণ
করছে না এবং যদি চারিত্রিকভাবে তারা
মুসলিম হয়ে থাকে,
তবে তারা ব্যর্থ হবে।
কারণ অনুপ্রবেশ মুসলিম আচরণের
সাথে খাপ খায় না। কিন্তু
যদি তারা এই
(গণতান্ত্রিক)
সিস্টেমে অনুপ্রবেশ
করতে সক্ষম (বা সফল) হয়,
তাহলে তা প্রমান করে যে,
তাদের চরিত্র
ইহুদী বা মোনাফেকদের
চরিত্রে পরিনত
হয়েছে, মুসলমানদের চরিত্রে নয়।
একটি বিষয় এর সাথে সম্পর্কিত
আর
তা হচ্ছে,
যারা ইসলামী পরিবেশ
থেকে উঠে এসেছে এবং দীর্ঘ
সময়
ধরে বর্তমান রাজনৈতিক
সিস্টেমের
মধ্যে কাজ করেছে তারা শেষ
পর্যন্ত
রাজনীতিবিদে পরিণত
হয়েছে, যাদের
প্রক্রিয়ায় রয়েছে কূটনৈতিক,
রঙ-বদল,
বস্তুবাদী ও
কৌশলী ইত্যাদি শব্দের সকল
নেতিবাচক অর্থসমূহ।
তারা হয়তো ইসলামী আন্দোলনের
শক্ত
তারবিয়াহ কর্মসূচির
মধ্যে পালিত
হয়েছিল, কিন্তু কিছুদিন পর
রাজনৈতিক
অঙ্গনে তারাই
নেকড়েতে পরিণত হয়।
একটি বিষয় এর সাথে সম্পর্কিত
আর
তা হচ্ছে,
যারা ইসলামী পরিবেশ
থেকে উঠে এসেছে এবং দীর্ঘ
সময়
ধরে বর্তমান রাজনৈতিক
সিস্টেমের
মধ্যে কাজ করেছে তারা শেষ
পর্যন্ত
রাজনীতিবিদে পরিণত
হয়েছে, যাদের
প্রক্রিয়ায় রয়েছে কূটনৈতিক,
রঙ-বদল,
বস্তুবাদী ও
কৌশলী ইত্যাদি শব্দের সকল
নেতিবাচক অর্থসমূহ।
তারা হয়তো ইসলামী আন্দোলনের
শক্ত
তারবিয়াহ কর্মসূচির
মধ্যে পালিত
হয়েছিল, কিন্তু কিছুদিন পর
রাজনৈতিক
অঙ্গনে তারাই
নেকড়েতে পরিণত হয়েছে,
যাকে তারা পরিবর্তন
করতে চেয়েছিল।
আমি এইসব আমার নিজ চোখেই
দেখেছি যা আমার পরিচিত
মানুষদের
ক্ষেত্রে ঘটেছে এবং ইয়েমেন
ভিত্তিক
ইসলামী আন্দোলনের এক
নেতা বলেছেনঃ “আমরা তাদেরকে ভেড়া হিসাবে নেকড়েদের
জগতে পাঠাই একটি কঙ্কাল
সাবাড়
হিসাবে ফেরত পেতে।”
আপনি যদি জীবন্ত
উদাহরণ চান; এটি দেখতে যে,
সিস্টেমের
(গণতান্ত্রিক সিস্টেমের)
মধ্যে থেকে কাজ করলে তার
ফলাফল কি হয়,
তাহলে সুদান ও তুর্কির
চেয়ে বেশী দূর
তাকানোর দরকার নেই। দুই
দেশেরই
ক্ষমতাসীন দলগুলো ইসলামীক
আন্দোলন
দিয়ে শুরু করে শেষ পর্যন্ত অন্য
সবার
মতো পঁচা ও দূষিত
পরিবেশে গিয়ে শেষ
হয়েছে।
... ... ... .... ... ... ...
{বাংলাদেশে ইসলামিক
মুভমেন্টের জন্যও
এই কথাগুলো অত্যন্ত বাস্তব। অবশ্য
সেই
বাস্তবতা উপলব্ধি করার মত অন্তর
আপনার
থাকা চাই।
আমি মনে করি ইগুলো হচ্ছে একধরনের
কোদাল দিয়ে গর্ত খোড়ার মত।
আপনি গর্তে পড়ে গিয়ে যদি নিচের
দিকে যতই গর্ত খুড়তে থাকবেন
ততই আপনার
উদ্ধারের
সম্ভাবনা কমতে থাকবে।লাফাত, দাওয়াহ, গণতন্ত্র, নুসরাহ, জিহাদ- কিভাবে?!
Vv
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন